myUpchar प्लस+ के साथ पूरेे परिवार के हेल्थ खर्च पर भारी बचत

চুল পড়া কাকে বলে?

চুল পড়া একটি অত্যন্ত অপ্রীতিকর সমস্যা যেখানে মাথা থেকে (অথবা সম্পূর্ণ দেহ থেকেই) ক্রমশ চুল পড়ে যেতে থাকে। দৈনিক 100 টি পর্যন্ত চুল পড়া খুবই স্বাভাবিক ঘটনা, এই চুলগুলির পরিবর্তে নতুন চুল গজায়। কিন্তু যখন চুল পড়ার হার নতুন চুল বৃদ্ধির তুলনায় বেড়ে যায় তখন সমস্যা দেখা দেয়। পুরুষদের মধ্যে এই সমস্যা প্রায়ই দেখতে পাওয়া যায়। অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়ার ফলে মাথায় টাক পড়ে যায়।

এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গ কি?

চুল পড়া সাধারণত কিছু অন্তর্নিহিত রোগের উপসর্গ। অন্যান্য যে উপসর্গ চুল পড়ার সাথে সম্পর্কিত সেগুলি হল:

  • চুল পড়া বিভিন্ন ধরণের হতে পারে
    • ​পুরুষ অথবা মহিলা- প্যাটার্ন টাক পড়া
    • মাথার কিছু অঞ্চল থেকে সম্পূর্ণ চুল উঠে যাওয়া
    • বিভিন্ন জায়গা থেকে কিছু কিছু চুল অসমান ভাবে উঠে যাওয়া
    • সমগ্র দেহ থেকে চুল পড়ে যাওয়া
  • মাথার ত্বক শুকনো এবং আঁশের মত হয়ে যাওয়া
  • মাথা চুলকানো
  • চুল শুকিয়ে যাওয়া এবং ডগা ফেটে যাওয়া

এর প্রধান কারণগুলি কি?

চুল পড়া অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা যা একাধিক কারণে ঘটতে পারে। এর কয়েকটি পরিচিত কারণ হল:

  • বংশগত - বাবা বা মায়ের বংশে চুল পড়ার পারিবারিক ইতিহাস থাকলে পরবর্তীতে চুল পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়
  • হরমোনের পরিবর্তনের (পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়) ফলে রগ ও তালুর চুল পড়ে গিয়ে টাক দেখা দিতে পারে। একে বলে মেল প্যাটার্ন ব্যল্ডিং
  • মাথার ত্বকে ছত্রাকের সংক্রমণ
  • ইয়াট্রোজেনিক (ঔষধ প্রণোদিত) - সাধারণত কেমোথেরাপি এজেন্ট, অ্যান্টি-ডিপ্রেসিভ ওষুধ প্রভৃতির ক্ষেত্রে দেখতে পাওয়া যায়
  • রেডিয়েশন থেরাপি
  • স্ট্রেস - স্ট্রেস বা মানসিক চাপ চুল পড়ার একটি প্রধান কারণ
  • পুষ্টির অভাব - ভিটামিন ই, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম প্রভৃতির অভাবে চুল পড়তে পারে
  • চুলের ট্রিটমেন্ট - ঘন ঘন চুল রং করা, চুলে স্ট্রেটেনিং এজেন্ট বা অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহার চুল পড়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়

কিভাবে একে নির্ণয় করা হয় এবং এর চিকিৎসা কি?

সাধারণত পুঙ্খানুপুঙ্খ চিকিৎসার ইতিহাস সংগ্রহ ও পরীক্ষার মাধ্যমে চুল পড়ার সমস্যা নির্ণয় করা হয়। তবে, কিছু তদন্তপদ্ধতির সাহায্যে চুল পড়ার কারণ এবং সমস্যাটির নিরাময় বা নিয়ন্ত্রণের সবথেকে উপযুক্ত চিকিৎসা জানা যেতে পারে। এই পদ্ধতিগুলি হল:

  • রক্তে ভিটামিন ও খনিজের অভাব আছে কিনা জানার জন্য রক্তপরীক্ষা
  • পুল টেস্ট এবং লাইট মাইক্রোস্কোপি - মৃদু টানের মাধ্যমে চুলের স্থিতিস্থাপকতা ও গোড়ার জোর বুঝতে পারা যায়। লাইট মাইক্রোস্কোপির সাহায্যে চুলের ঘনত্ব এবং রোমকূপের গঠন পরীক্ষা করা হয়
  • স্কাল্প বায়োপসি - এই প্রক্রিয়ায় চুল পড়ার সংক্রমণ জাতীয় কারণগুলি চিহ্নিত করা যায়

চুল পড়ার চিকিৎসা সম্পূর্ণভাবে সমস্যাটির কারণের উপর নির্ভরশীল। কিছু ক্ষেত্রে এর নিরাময় সম্ভব হয় না, কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সাহায্যের জন্য থেরাপি ব্যবহার করা যেতে পারে। চুল পড়ার বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:

  • ওষুধ - জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ভিটামিন ই প্রভৃতি মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট; মিনোক্সিডিল, ফিনাস্স্টেরাইড, হরমোন প্রতিস্থাপন ওষুধ ইত্যাদি।
  • লেসার থেরাপি - মাথার ত্বকে লেসার রশ্মির প্রয়োগ চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে
  • ট্রান্সপ্লান্ট সার্জারি - মাথার ত্বক থেকে ঘন চুলযুক্ত সামান্য অংশ নিয়ে চুল পড়ে যাওয়া অঞ্চলে প্রতিস্থাপন
  • চুল বপন করা