পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার - Post traumatic Stress Disorder in Bengali

Dr. Ayush PandeyMBBS,PG Diploma

May 13, 2019

March 06, 2020

পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার
পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার

পোস্টট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার কি?

পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসর্ডার (পিটিএসডি) একটি মোটামুটি সাধারণ মানসিক অবস্থা, সেইসমস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা যায় যাঁরা নিজের জীবনে গভীর দুশ্চিন্তাজনক ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন। এই সমস্ত ঘটনা কিছু মানুষের মননে গভীর প্রভাব ফেলে এবং তাদের রোজকার জীবনে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। রোগী মানসিক অবসাদ অথবা প্যানিক অ্যাটাকের মতো অন্যান্য মানসিক বিকারের সঙ্গে এই অবস্থা উপলব্ধি করতে পারেন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়, পিটিএসডি আত্মহত্যার প্রবৃত্তিকে উদ্দীপ্ত করতে পারে।

এর প্রধান লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি কি কি?

এটি মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবের একটি শ্রেণিবিন্যাস সহ মানসিক রোগ। প্রায় সবসময় যে লক্ষণগুলি এর সঙ্গে যুক্ত, তা নিচে উল্লেখ করা হল:

  1. মানসিকচাপ যুক্ত ঘটনার উপলব্ধি অথবা প্রত্যক্ষ করার ইতিহাস।
  2. দুঃস্বপ্ন এবং (অথবা) ফ্ল্যাশব্যাক সহ কোনও ঘটনার স্মৃতি পুনরায় অনুভব করা করা।
  3. সেই সমস্ত পরিস্থিতি, স্থান এবং ব্যক্তিদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা যা যন্ত্রণাদায়ক ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিয়ে দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্মকে ব্যাহত করতে পারে।
  4. বিরক্তিভাব, মনোযোগে সমস্যা এবং ঘুমে ব্যাঘাতের মতো হাইপারঅ্যারাউওজাল উপসর্গ।

এই ঘটনা বিভিন্ন রকম হতে পারে, অপর কোনও ব্যক্তির মৃত্যু/গুরুতর আঘাতের ঘটনা প্রত্যক্ষ করা থেকে শুরু করে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার অঙ্গ থাকা, অন্তরঙ্গ প্রকৃতির উৎপীড়নের সম্মুখীন হওয়া, যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা, অস্ত্রশস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর মতো ব্যাপার।

এর প্রধান কারণগুলি কি কি?

সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ, হিংসামূলক অপরাধ এবং দুর্ব্যবহার, সামরিক যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, গুরুত্বর দুর্ঘটনা অথবা ব্যক্তিগতভাবে হিংসাত্মক হামলার শিকার হওয়ার মতো ঘটনায় জর্জরিত যুগে মানসিক আঘাত পাওয়ার ঘটনা অস্বাভাবিক নয়। এই ধরনের মানসিক চাপযুক্ত ঘটনায় আমরা অনেকেই গভীরভাবে আহত হই, কিন্তু কিছু দিন বা সপ্তাহ পরই দুঃখ সামলে উঠি এবং রোজকার জীবন ফের শুরু করি।

আমাদের শরীর মানসিক আঘাতজনিত ঘটনায় হওয়া মানসিক অবসাদের প্রতিক্রিয়ায় ভিন্নভাবে সাড়া দেয়। সাধারণত, মানসিক চাপ সামলাতে মানুষ একটি লক্ষ্যে কাজ করেন। তবে, কিছু ব্যক্তি ‘প্রচেষ্টা’ ছেড়ে দেন এবং আবেগ বা ভয়কে ভেতরে দমিয়ে রাখেন। এর ফলে পিটিএসডি হতে পারে।

এটি কিভাবে নির্ণয় এবং চিকিৎসা করা হয়?

নিজে তৈরি করা নির্দিষ্ট কিছু রিপোর্ট অথবা পেশাদার ডাক্তারের সহায়তায় প্রশ্নাবলী এবং মানদণ্ডের মূল্যায়নের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা যেতে পারে। আর তা রোগীর আবেগপ্রবণতাকে মাথায় রেখে খুব সংবেদনশীলভবে করা আবশ্যক। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে, কাউন্সেলিং বা পরামর্শ দান, কগনিটিভ বিহেভিরিয়াল থেরাপি, গ্রুপ থেরাপি, বিশ্রামের কৌশল এবং বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে সহায়তা। ওষুধ দেওয়া হতে পারে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অ্যান্টিডিপ্রেসান্ট দেওয়া হয়, তবে তা অবস্থার তীব্রতার উপর নির্ভর করে।



তথ্যসূত্র

  1. Jitender Sareen et al. Posttraumatic Stress Disorder in Adults: Impact, Comorbidity, Risk Factors, and Treatment . Can J Psychiatry. 2014 Sep; 59(9): 460–467. PMID: 25565692
  2. Javier Iribarren et al. Post-Traumatic Stress Disorder: Evidence-Based Research for the Third Millennium . Evid Based Complement Alternat Med. 2005 Dec; 2(4): 503–512. PMID: 16322808
  3. National Institute of Mental Health [Internet] Bethesda, MD; Post-Traumatic Stress Disorder. National Institutes of Health; Bethesda, Maryland, United States
  4. National Center for PTSD [Internet[ U.S. Department of Veterans Affairs, Washington DC; PTSD: National Center for PTSD
  5. Office on Women's Health [Internet] U.S. Department of Health and Human Services; Post-traumatic stress disorder.
  6. Mental Health. Post-Traumatic Stress Disorder. U.S. Department of Health & Human Services, Washington, D.C. [Internet]
  7. MedlinePlus Medical Encyclopedia: US National Library of Medicine; Post-Traumatic Stress Disorder
  8. Center for Disease Control and Prevention [internet], Atlanta (GA): US Department of Health and Human Services; Post-traumatic Stress Disorder in Children
  9. Office of Disease Prevention and Health Promotion. PTSD (Post-Traumatic Stress Disorder). [Internet]

পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার জন্য ঔষধ

পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার के लिए बहुत दवाइयां उपलब्ध हैं। नीचे यह सारी दवाइयां दी गयी हैं। लेकिन ध्यान रहे कि डॉक्टर से सलाह किये बिना आप कृपया कोई भी दवाई न लें। बिना डॉक्टर की सलाह से दवाई लेने से आपकी सेहत को गंभीर नुक्सान हो सकता है।