খিঁচুনি - Seizures in Bengali

Dr. Nabi Darya Vali (AIIMS)MBBS

May 06, 2019

March 06, 2020

খিঁচুনি
খিঁচুনি

খিঁচুনি কাকে বলে?

সিজারকে সাধারণত মূর্ছা বা খিঁচুনি বলা হয়, মস্তিষ্কে আকস্মিকভাবে একাধিক অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক প্রবাহের ফলে সৃষ্ট শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তনের প্রকাশ হয় খিঁচুনির মাধ্যমে।

এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলি কি?

ফোকাল সিজার এবং জেনারালাইজড সিজার, খিঁচুনির এই দুটি মূল প্রকারভেদের উপসর্গগুলি নিচে উল্লেখ করা হল:

ফোকাল সিজার উৎপন্ন হয় মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট অংশ থেকে। এর উপসর্গগুলি হল:

  • শরীরের যেকোন অংশের আকস্মিক বিচলন।
  • সচেতনতার পরিবর্তনের ফলে চলন ও ক্রিয়াকলাপের বদল।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির আলোর জ্যোতি দেখার অভিজ্ঞতা হতে পারে।
  • বাস্তবে উপস্থিত নয় এমন শব্দ, গন্ধ বা স্বাদের অনুভূতি।

জেনারালাইজড সিজারের উপসর্গগুলি হল:

  • এবসেন্স সিজার : শিশুদের মধ্যে এটি বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এই সময় শিশুদের দেখে মনে হতে পারে তারা কোন শূন্যস্থানের দিকে তাকিয়ে আছে, অথবা অল্পসময়ের জন্য সচেতনতার অভাব ও শরীরের সূক্ষ্ম নড়াচড়া দেখা যেতে পারে।
  • টোনিক সিজার: পেশীর কাঠিন্য যা আক্রান্তের পতনের কারণ হতে পারে। সাধারণত পিঠ, হাত ও পায়ের পেশী এতে প্রভাবিত হয়।
  • ক্লোনিক সিজার: ঝাঁকুনিযুক্ত পেশীর চলন, সাধারণত মুখ, ঘাড় ও হাতের পেশিতে দেখতে পাওয়া যায়।
  • টোনিক-ক্লোনিক সিজার: আক্রান্ত টোনিক ও ক্লোনিক সিজারের উপসর্গগুলি সম্মিলিতভাবে অনুভব করতে পারে।
  • মায়োক্লোনিক সিজার: পেশীর কম্পনের পাশাপাশি ছোট ঝাঁকুনিযুক্ত চলন।
  • এটোনিক সিজার: পেশীর নিয়ন্ত্রণ হ্রাস পাওয়ার ফলে আক্রান্ত পড়ে যেতে পারে।

এর প্রধান কারণগুলি কি?

অধিকাংশ স্নায়বিক সমস্যার মত খিঁচুনিরও কোন নির্দিষ্ট কারণ জানা নেই। তবে, এর সবথেকে পরিচিত কারণটি হল মৃগীরোগ। অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:

কিভাবে এটি নির্ণয় করা হয় এবং এর চিকিৎসা কি?

একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ চিকিৎসার ইতিহাস সংগ্রহের পাশাপাশি কয়েকটি নির্দিষ্ট পরীক্ষা খিঁচুনি নির্ণয়ে সাহায্য করে।

  • সংক্রমণ, জিনগত সমস্যা, হরমোন বা ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যের অভাব সন্ধান করতে রক্তপরীক্ষা করা হয়।
  • লাম্বার পাংচার।
  • ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাম।
  • নিউরোলজিক্যাল ফাংশন টেস্ট (স্নায়বিক ক্রিয়ার পরীক্ষা)।
  • ম্যাগনেটিক রেসোনান্স ইমেজিং (এমআরআই)।
  • পজিট্রন এমিশন টোমোগ্রাফি (পিইটি) স্ক্যান।

কিছুক্ষেত্রে খিঁচুনি মাত্র একবারই ঘটতে পারে, এবং এর কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।

যদি বারবার খিঁচুনির ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় তবে চিকিৎসক অ্যান্টি-এপিলেপ্টিক (মৃগী রোধের) ওষুধ দিতে পারেন। কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, যেমন বেশি তেলযুক্ত, কম শর্করাযুক্ত, কিটোজেনিক খাদ্যাভ্যাস খিঁচুনির চিকিৎসায় সাহায্য করে।



তথ্যসূত্র

  1. Johns Hopkins Medicine [Internet]. The Johns Hopkins University, The Johns Hopkins Hospital, and Johns Hopkins Health System; Epilepsy and Seizures: Conditions We Treat
  2. Oguni H. Diagnosis and treatment of epilepsy. . Epilepsia. 2004;45 Suppl 8:13-6. PMID: 15610188
  3. National Institute of Neurological Disorders and Stroke [Internet] Maryland, United States; The Epilepsies and Seizures: Hope Through Research.
  4. MedlinePlus Medical Encyclopedia: US National Library of Medicine; Seizures
  5. Center for Disease Control and Prevention [internet], Atlanta (GA): US Department of Health and Human Services; Epilepsy

খিঁচুনি জন্য ঔষধ

খিঁচুনি के लिए बहुत दवाइयां उपलब्ध हैं। नीचे यह सारी दवाइयां दी गयी हैं। लेकिन ध्यान रहे कि डॉक्टर से सलाह किये बिना आप कृपया कोई भी दवाई न लें। बिना डॉक्टर की सलाह से दवाई लेने से आपकी सेहत को गंभीर नुक्सान हो सकता है।