myUpchar प्लस+ के साथ पूरेे परिवार के हेल्थ खर्च पर भारी बचत

পেইরোনিস ডিজ়িজ (বাঁকা পুরুষাঙ্গ) কি?

পেইরোনিস ডিজ়িজ (বাঁকা পুরুষাঙ্গ) পেনিস বা লিঙ্গের সংযোজক কলার রোগ, যেখানে লিঙ্গের মধ্যে একটি নন-ইলাস্টিক, আঁশাল টিস্যু গঠিত হয় যার ফলে লিঙ্গ বক্রতার হয়। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি যৌন মিলনের সময় যন্ত্রণাদায়ক ইরেকশন হয় যা যৌনমিলনের সময় অসন্তোষজনক হতে পারে। এই অবস্থা মানসিক অবসাদের সৃষ্টি করতে পারে তাই চিকিত্‍সার জন্য ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

এর প্রধান কারণ এবং লক্ষণগুলি কি কি?

পেইরোনিস ডিজ়িজ (বাঁকা পুরুষাঙ্গ) লিঙ্গ বক্রতা হিসেবে পরিচিত যেক্ষেত্রে নিচে আলোচিত লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি দেখা যায়:

  • লিঙ্গর টিস্যু শক্ত হয়ে যায় বা পিন্ড দেখতে পাওয়া যায়।
  • লিঙ্গের উপরের, বা নিচের দিকে বক্রতা।
  • লিঙ্গের চেহারা বালি ঘড়ির মত হয়ে যায়।
  • লিঙ্গ ছোট হয়ে যাওয়া।
  • ব্যথা

এর প্রধান কারণগুলি কি কি?

পেইরোনিস ডিজ়িজের (বাঁকা পুরুষাঙ্গ) প্রধান কারণ হলো:

  • লিঙ্গে বারংবার আঘাত লাগা: খেলাধুলার সময় লিঙ্গে আঘাত, দুর্ঘটনা অথবা বারংবার যৌন মিলন আহত জায়গায় প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে যা প্লেক তৈরি করে। স্ট্রেসের জন্য এই অবস্থার আরও অবনতি হয়।
  • দ্বিতীয় কারণটি হল রোগের জেনেটিক ট্রান্সমিশন।

কিভাবে এর নির্ণয় এবং চিকিৎসা করা হয়?

সাধারণত লিঙ্গের শারীরিকভাবে পরীক্ষার দ্বারা একজন ইউরোলওজিস্ট এই রোগের নির্ণয় করেন। বিভিন্ন ধরণের তথ্য নোট করে যেমন, পেনাইল ট্রমার সময়, লিঙ্গের স্থায়িত্বের অগ্রগতি আর কিভাবে তা আপনার যৌনজীবনকে ব্যহত করছে তা নির্ণয়ের জন্য সাহায্যকারী হতে পারে।

  • ফ্লাসিড অবস্থায় পরীক্ষা করলে লিঙ্গের কোন অংশে বৃদ্ধি হয়েছে তা জানতে সুবিধা হয়।
  • ইরেক্টেড অবস্থায় লিঙ্গ বক্রতার পরিমাপ করা হয়।
  • আকার, অবস্থান এবং টিস্যুতে ক্যালশিয়াম তৈরি এবং জমা হওয়া সম্পর্কে জানতে ডুপ্লেক্স ডপলার পরীক্ষা করা হয়।
  • আল্ট্রাসোনোগ্রাফি।
  • ডায়াবেটিস বা হরমোনের ওঠা-নামার সমস্যায় ভুগছেন এমন কারোর ক্ষেত্রে রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়।

যদি লিঙ্গ বক্রতা যৌন জীবনে কোনও অসুবিধার সৃষ্টি না করে, তাহলে আপনার চিকিৎসক হয়ত কোনও চিকিৎসার পরামর্শ দেবেন না। চিকিৎসা পদ্ধতি হল:

ওষুধ:

  • যে সমস্ত ওষুধ ফাইব্রয়েডের আকার কমাতে সাহায্য করে সেগুলি স্থানীয়, মুখ দিয়ে বা ফুটো করে বা আয়নটোফোরেটিক (বৈদ্যুতিক কারেন্ট ব্যবহার করে) ত্বকের মাধমে দেওয়া হয়।
  • ওষুধ যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়।

নন-সার্জিকাল থেরাপি:

  • পেনাইল ট্র্যাকশন।
  • ভ্যাকুয়াম ইরেক্টাইল ডিভাইস।
  • রেডিয়েশন থেরাপি।
  • হাইপার থারমিয়া থেরাপি।
  • অতিরিক্ত কর্পোরিয়েল শক ওয়েভ থেরাপি।

সার্জারি বা অস্ত্রোপচার

বিভিন্ন উপায়ে পেরোনিস ডিসিজ নিরাময় করা হয়। এই অবস্থার জন্য মানসিক অবসাদের চিকিৎসার জন্য সেক্স কাউন্সেলর এবং সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলরের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য আপনার চিকিৎসকের কাছ থেকে সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ চাওয়া ভালো।

আপনার অথবা আপনার পরিবারে কারোর কি এই রোগ আছে? দয়া করে একটা সমীক্ষা করুন এবং অন্যদের সাহায্য করুন।

References

  1. Gianni Paulis et al. Recent Pathophysiological Aspects of Peyronie's Disease: Role of Free Radicals, Rationale, and Therapeutic Implications for Antioxidant Treatment—Literature Review. Adv Urol. 2017; 2017: 4653512. PMID: 28744308
  2. Ailyn Bilguty and Alaexander W Pastuszak. Peyronie’s Disease: A review of etiology, diagnosis and Management. Curr Sex Health Rep. 2015 Jun 1; 7(2): 117–131. PMID: 26279643
  3. Oliver Kayes and Rauf Khadr. Recent advances in managing Peyronie’s disease. Version 1. F1000Res. 2016; 5: F1000 Faculty Rev-2372. PMID: 27746896
  4. Franklin E Kuehas et al. Peyronie’s Disease: Nonsurgical Therapy Options. Rev Urol. 2011; 13(3): 139–146. PMID: 22110397
  5. Miner MM,Seftel AD. Peyronie's disease: epidemiology, diagnosis, and management. Curr Med Res Opin. 2014 Jan;30(1):113-20. PMID: 24040888
और पढ़ें ...