ফেসিয়াল প্যারালাইসিস (মুখ বেঁকে যাওয়া বা মুখের প্যারালাইসিস) - Facial Paralysis in Bengali

Dr. Anurag Shahi (AIIMS)MBBS,MD

December 01, 2018

October 05, 2020

ফেসিয়াল প্যারালাইসিস
ফেসিয়াল প্যারালাইসিস

ফেসিয়াল প্যারালাইসিস (মুখ বেঁকে যাওয়া বা মুখের প্যারালাইসিস) কি?

ফেসিয়াল প্যারালাইসিস হল একটি মেডিকাল অবস্থা যা মুখের স্নায়ুর ক্ষতির কারণে সৃষ্ট হয়, যার ফলে, রোগী মুখ নাড়াচাড়া করে খেতে পারে না বা কথা প্রকাশ করতে পারে না।

এর প্রধান লক্ষণ উপসর্গগুলি কি কি?

ফেসিয়াল প্যারালাইসিসের সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • চোখের পাতা বন্ধ করতে বা পিট্ পিট্ করতে না পারা
  • মুখ নাড়তে না পারা
  • মুখ নিচের দিকে ঝুলে যাওয়া
  • মুখের পরিকাঠামোর ভারসাম্য হারানো
  • ফেসিয়াল প্যারালাইসিসের ক্ষেত্রে, রোগী তার ভ্রু কোঁচকাতে পারেন না
  • কথা বলতে ও খাবার খেতে অসুবিধা (আরও পড়ুন: কথা বলার অসুবিধার কারণ)
  • পুরো মুখবায়বের নড়াচড়া করানোয় সমস্যা

মুখ ব্যবহার করে অভিব্যক্তি প্রকাশ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার কারণে, এটি সাধারণত রোগীকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে। সেই কারণে, কার্যকর ফলাফল দেখতে চিকিৎসা অনুসরণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এর প্রধান কারণগুলি কি কি?

ফেসিয়াল প্যারালাইসি হঠাৎ হতে পারে আবার ধীরে ধীরেও হতে পারে। ফেসিয়াল প্যারালাইসিসের সাধারণ কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:

এটি অন্যান্য কারণেও ঘটতে পারে; যেমন;

  • মুখে আঘাত লাগা
  • লাইম রোগ সংক্রমণ (পোকার দ্বারা মানুষের মধ্যে ব্যাকটেরিয়াগত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে)
  • ভাইরাসজনিত সংক্রমণ
  • ভাস্কুলাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগগুলি
  • ভুলভাবে করা দাঁতের চিকিৎসা যা কিছু মুখের স্নায়ুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে
  • বিরল ক্ষেত্রে, জন্মের সময় শিশুগুলিও মুখের প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হতে পারে (যা পরবর্তীকালে সেরে যায়)

এটি কিভাবে নির্ণয় চিকিৎসা করা হয়?

আপনি যদি উপরের উল্লিখিত লক্ষণ এবং উপসর্গগুলির মধ্যে কোনটি অনুভব করেন তবে আপনাকে অবশ্যই অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্টটি (সাক্ষাৎ) বুক করতে হবে। মুখে অসাড় অবস্থা এবং দুর্বলতা ফেসিয়াল প্যারালাইসিসের গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক উপসর্গ হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

ডাক্তার আপনার মুখের উভয় দিকের শারীরিক পরীক্ষা করবেন। তিনি আপনাকে আপনার সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং আঘাতের বিষয়েও প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন। তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং আপনাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এবং রোগনির্ণয়সংক্রান্ত পদ্ধতি করার জন্য বলতে পারেন। এইগুলি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:

  • রক্ত পরীক্ষা (রক্তে শর্করা বা সুগারের মাত্রা জানার জন্য)
  • লাইম টেস্ট
  • স্নায়ু ও পেশীর কাঠামো পরীক্ষা করার জন্য ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাফি (ইএমজি)
  • মাথার সিটি স্ক্যান/এমআরআই

রোগের কার্যকর নির্ণয়ের পরে, ডাক্তার বিভিন্ন পরামিতি (যেমন রোগীর বয়স, কারণ এবং রোগের তীব্রতা) বিবেচনা করার পরে আপনাকে প্রাসঙ্গিক চিকিৎসার বিকল্পগুলি উল্লেখ করবেন যা বিস্তৃতভাবে অন্তর্ভুক্ত:

  • ফিজিক্যাল/স্পিচ থেরাপি
  • মুখের পেশীর প্রশিক্ষণের থেরাপি
  • মুখের পেশীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করতে বায়োফিডব্যাক প্রশিক্ষণ
  • মুখে শারীরিক ক্ষতি এবং চোখ বন্ধে সাহায্য করার ক্ষেত্রে প্লাস্টিক সার্জারি
  • উচ্চ রক্তচাপ মত অন্তর্নিহিত কারণের জন্য নির্দিষ্ট ওষুধগুলি খুব প্রয়োজনীয় হতে পারে।



তথ্যসূত্র

  1. University of Minnesota Health. Facial Paralysis. University of Minnesota Physicians; University of Minnesota Medical Center. [internet].
  2. University of Texas Southwestern Medical Center. Facial Paralysis Causes. Southwestern Health Resources. [internet].
  3. University of California San Francisco [Internet]. San Francisco, CA: Department of medicine; Facial Paralysis
  4. MedlinePlus Medical Encyclopedia: US National Library of Medicine; Facial paralysis
  5. Clinical Trials. Facial Function Reanimation by Electrical Pacing in Unilateral Facial Paralysis. U.S. National Library of Medicine. [internet].

ফেসিয়াল প্যারালাইসিস (মুখ বেঁকে যাওয়া বা মুখের প্যারালাইসিস) ৰ ডক্তৰ

Dr. Hemanth Kumar Dr. Hemanth Kumar Neurology
3 वर्षों का अनुभव
Dr. Deepak Chandra Prakash Dr. Deepak Chandra Prakash Neurology
10 वर्षों का अनुभव
Dr Madan Mohan Gupta Dr Madan Mohan Gupta Neurology
7 वर्षों का अनुभव
Dr. Virender K Sheorain Dr. Virender K Sheorain Neurology
19 वर्षों का अनुभव
অনেক সময় অডিও র জন্য মুহূর্তের বিলম্ভ হতে পারে

ফেসিয়াল প্যারালাইসিস (মুখ বেঁকে যাওয়া বা মুখের প্যারালাইসিস) জন্য ঔষধ

ফেসিয়াল প্যারালাইসিস (মুখ বেঁকে যাওয়া বা মুখের প্যারালাইসিস) के लिए बहुत दवाइयां उपलब्ध हैं। नीचे यह सारी दवाइयां दी गयी हैं। लेकिन ध्यान रहे कि डॉक्टर से सलाह किये बिना आप कृपया कोई भी दवाई न लें। बिना डॉक्टर की सलाह से दवाई लेने से आपकी सेहत को गंभीर नुक्सान हो सकता है।