চুলকানি - Itching in Bengali

Dr. Ayush PandeyMBBS,PG Diploma

December 12, 2018

March 06, 2020

চুলকানি
চুলকানি

সারাংশ

চুলকানি এমন একটি অনুভূতি যে জায়গায় হয় সেখানে আঁচড়াতে ইচ্ছে করে। চুলকানি হতে পারে এলার্জি হলে, দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাথে সম্প্রীত সমস্যায়, কোন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে অথবা দেহের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্য কোন অন্তর্নিহিত কারণে। চুলকানি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। খুব সহজের এদের চেনা যেতে পারে এদের চেহারা দেখলে বা এদের হওয়ার কারণ জানলে। খুব সাধারণ কারণগুলি গুলি হল ফুসকুড়ি, আমবাত, ছত্রাক সংক্রমণে এবং কোন পোকার কামড়। যাদের দেহের ত্বক শুষ্ক, তাদের চুলকানি বেশি হয়। এর কিছু চাক্ষুষ লক্ষণ আছে, যেমন জায়গাটি লাল হয়ে যাওয়া, প্রদাহ, ফুলে যাওয়া এবং ফোসকা পড়া। চুলকানি সাধারণত কোন গুরুতর উপসর্গ নয় কিন্তু যদি দীর্ঘ দিন ধরে হতে থাকে তাহলে কয়েকটি গুরুতর অসুখের উপসর্গ হিসাবে চুলকানিকে দেখা যেতে পারে, যেমন, কিডনি বা লিভারের ত্রুটি। চুলকানির কারণ জানার পর চুলকানির অনেকগুলি প্রভাবশালী চিকিৎসার কার্যক্রম রয়েছে যা শুরু করা যেতে পারে। এই গুলির মধ্যে রয়েছে স্থানীয় ভাবে লাগানোর জন্য মলম এবং খাবার ওষুধ। ঘরোয়া চিকিৎসার পদ্ধতিও সাময়িক ভাবে স্বস্তি দিতে পারে।

চুলকানি কি - What is Itching in Bengali

চিকিৎসা শাস্ত্রে চুলকানিকে প্রুরিটাস বলা হয়। এর মানে হল একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি যার ফলে জায়গাটিতে আঁচড়াতে ইচ্ছে করে। চুলকানির বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। সব চেয়ে সাধারণ কারণটি হল শুষ্ক ত্বক। চুলকানির সময়ের ঘর্ষণের কারণে শুষ্ক এবং খসখসে ত্বকে চুলকানি এবং জ্বালা হয়। চুলকানির কারণের উপরে নির্ভর করে অন্যান্য উপসর্গও দেখা দিতে পারে, যেমন, জায়গাটি লাল হয়ে যাওয়া, ফোসকা পড়া, ফুসকুড়ি হওয়া এবং কখনও কখনও রক্তও দেখা যেতে পারে (অতিরিক্ত আঁচড়ানর জন্য)। কারুর ক্ষেত্রে স্থায়ী চুলকানির পিছনে স্বাস্থ্যের অন্য কারণও থাকতে পারে, যেমন চর্ম রোগ, সোরাইসিস, গর্ভাবস্থা, এবং খুবই সামান্য ক্ষেত্রে ক্যান্সার। দেখা গিয়েছে যে যাদের অনেক রকমের রোগ আছে, যেমন মধুমেহ, এলার্জি এবং হাঁপানি, তাদের চুলকানি বেশি হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমতে থাকে। এই কারণে বয়স্ক মানুষদের মধ্যে চুলকানি বেশি দেখা যায়।

চুলকানি এর উপসর্গ - Symptoms of Itching in Bengali

চুলকানির অনুভূতি খুবই সাধারণ এবং সহজেই চেনা যেতে পারে। এটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে অথবা আঁচড়ানোর পরেই চলে যেতে পারে। অবশ্য চুলকানির কারণ যদি অন্য কোনও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যার সাথে জড়িত থাকে তাহলে জায়গাটিতে শুধু আঁচড়ালেই হবে না। চুলকানির সাথে সাথে এই গুলিও হতে পারে:

  • জায়গাটি লালচে হয়ে যাওয়া
  • প্রদাহ
  • জ্বালা করা
  • ফুলে যাওয়া
  • শুষ্ক ত্বক
  • খসখসে হয়ে যাওয়া
  • ত্বক আঁশের মতন হওয়া
  • ফোস্কা পড়া

শরীরের অনেক জায়গায় চুলকানি হতে পারে, যেমন হাতে, মাথায় এবং পিঠে অথবা যৌনাঙ্গের এলাকাতে।

চুলকানি এর চিকিৎসা - Treatment of Itching in Bengali

চুলকানির কারণ নির্ণয়ের পরে তার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিম্ন লিখিত প্রকারের হতে পারে:

  • কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম
    ওষুধ-যুক্ত এই ক্রিমগুলির ত্বকের উপরে আরামদায়ক এবং নিরাময় প্রভাব আছে। এই ক্রিমগুলি ত্বক শুষ্ক হতে দেয় না, তাই চুলকানি কমতে সাহায্য করে। সাধারণত এই গুলির মধ্যে 1% হাইড্রোকরটিজোন থাকে। ডাক্তারবাবুর পরামর্শ ও প্রেসক্রিপশান ছাড়া এই স্টেরয়েড-যুক্ত ক্রিম ব্যবহার করে অনুচিত।
     
  • ক্যালসিনেউরিন ইনহিবিটারস
    এই ওষুধ নির্দিষ্ট এলাকায় চুলকানির চিকিৎসা করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
     
  • এন্টিডিপ্রেসান্টস
    এন্টিডিপ্রেসান্টসগুলি শরীরের হরমোনগুলির উপর প্রভাব ফেলে এবং তাই চুলকানির থেকে পরিত্রাণ পেতে সহায়তা করে। 
     
  • জেলস
    একটি সহজ অ্যালো ভেরা জেল একটি ময়শ্চারাইজার হিসাবে যন্ত্রণা দায়ক ত্বক শান্ত করতে এবং শুষ্ক ত্বক নিরাময় করতে সুপারিশ করা যেতে পারে।
     
  • এন্টিহিস্টামিনস
    এন্টিহিস্টামিনযুক্ত ওষুধগুলি (সাধারণত খাবার ওষুধ) এলার্জি কমাতে খুবই সাহায্য করে। এইগুলি প্রদাহ বন্ধ করে এবং তাই চুলকানিও বন্ধ হয়।
     
  • আলো চিকিৎসা
    আলো চিকিৎসাতে একটি বিশেষ নির্ধারিত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইউ-ভি আলোক রশ্মি ব্যবহার করে চুলকানিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই ব্যবস্থাকে ফোটোথেরাপিও বলা হয়। একাধিক বার এই চিকিৎসা নিতে হয় যাতে দীর্ঘস্থায়ী ফল পাওয়া যায়। 
     
  • স্বাস্থ্যের অন্তর্নিহিত অবস্থার চিকিৎসা
    কিডনি এবং যকৃৎ বা রক্তের চিনির মাত্রা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যের অবস্থার চিকিৎসা করলে চুলকানিও নিয়ন্ত্রণের মধ্য এসে যায়। রোগের চিকিৎসা হলে তার উপসর্গগুলিও বিদায় নেয়।

জীবনধারার পরিবর্তন

জীবনধারার কিছু পরিবর্তন করে চুলকানি নিয়ন্ত্রণ করে যায়:

  • চুলকানি কারণ হয় এমন সব পদার্থ এড়িয়ে চলুন।
  • চুলকানির জায়গায় ওষুধ-যুক্ত মলম লাগান। এগুলি ওষুধের দোকানে সহজেই পাওয়া যায়। এই মলমগুলি শুষ্ক এবং যন্ত্রণাদায়ক ত্বককে আরাম দেয়।
  • প্রভাবিত জায়গা চুলকাবেন না। এটি যদি ছত্রাকের সংক্রমণ হয়, তাহলে চুলকালে ত্বকের ক্ষতি হবে এবং সংক্রমণ অন্য জায়গাতেও ছড়িয়ে পড়বে। চুলকালে নখের নিচের জীবাণু চুলকানির জায়গায় গিয়ে প্রদাহ আরও বৃদ্ধি করবে।
  • মানসিক চাপ কমান। চাপ বৃদ্ধি হলে আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়ে যায় এবং ফলে চুলকানি এবং অন্যান্য এলার্জির সৃষ্টি করে।


তথ্যসূত্র

  1. Am Fam Physician. [Internet] American Academy of Family Physicians; Pruritis.
  2. American Academy of Allergy, Asthma and Immunology [Internet]. Milwaukee (WI); Scratching the Surface on Skin Allergies
  3. MedlinePlus Medical Encyclopedia: US National Library of Medicine; Itching
  4. Healthdirect Australia. Itchy skin. Australian government: Department of Health
  5. Garibyan L, Rheingold CG, Lerner EA. Understanding the pathophysiology of itch. Dermatol Ther. 2013 Mar-Apr;26(2):84-91. doi: 10.1111/dth.12025. PubMed PMID: 23551365; PubMed Central PMCID: PMC3696473.

চুলকানি জন্য ঔষধ

চুলকানি के लिए बहुत दवाइयां उपलब्ध हैं। नीचे यह सारी दवाइयां दी गयी हैं। लेकिन ध्यान रहे कि डॉक्टर से सलाह किये बिना आप कृपया कोई भी दवाई न लें। बिना डॉक्टर की सलाह से दवाई लेने से आपकी सेहत को गंभीर नुक्सान हो सकता है।

translation missing: bn.lab_test.sub_disease_title

translation missing: bn.lab_test.test_name_description_on_disease_page